,

সাদুল্লাপুরে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য অন্তর্ভুক্তিতে অনিয়মের অভিযোগ 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের কান্তনগর বিণয় ভূষণ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
কান্তনগর বিণয় ভূষণ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য হওয়ার জন্য জন্য গত ২৮ আগষ্ট একটি নোটিশ দেওয়া হয়। সেই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১৫সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাতা সদস্য হওয়ার জন্য একটার্মের জন্য ২০হাজার টাকা ও আজীবন দাতা সদস্য হওয়ার জন্য দ্ইু লাখ টাকা বিদ্যালয়ে রশিদ মুলে জমা প্রদান অথবা বিদ্যালয়ের নামীয় নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বরে জমা প্রদান করতে হবে। সেই সাথে টাকা জমা দানের রশিদ সহ প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন করতে হবে। এর মধ্যে গত ১৩ সেপ্টেম্বর একজন, ১৪ সেপ্টেম্বর চারজন, ১৫ সেপ্টেম্বর চারজন ও ১৭ সেপ্টেম্বর তিনজন টাকা জমা প্রদান করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য আব্দুল বাকী মন্ডল, রমিছা বেগম, আশরাফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম নির্ধারিত সময়ের বাহিরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে আবেদনপত্র জমা দেন। এ ছাড়া ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮জন আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন মর্মে বিদ্যালয় থেকে একটি লিখিত কাগজ দেওয়া হলেও পরবর্তীতে জানানো হয় আবেদনপত্র জমা পড়েছে ১২টি। দাতা সদস্য প্রার্থী ধীরেন্দ্র নাথ সরকার অভিযোগ করেন, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের পরে ১৮ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক একরামুল হক চারটি আবেদনপত্র জমা নিয়েছেন। যা নিয়মের বহির্ভুত। এ ছাড়া ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চেয়েছিলাম কতজন আবেদন জমা দিয়েছেন। উত্তরে তিনি বলেছেন দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য আটজন আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন।
বিদ্যালয়টির সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু হোসেন মন্ডল বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ৮টি আবেদন জমা পড়ে। সেদিন বিকেলেই দাতা সদস্য প্রার্থী নাছিরুল ইসলাম তালিকা চেয়ে আবেদন করেন। তাই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় আমি দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে পর দিন ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে আটজন দাতা সদস্য প্রার্থী একটি তালিকা তাকে দেই।
এসব বিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক একরামুল হক বলেন, বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য হিসেবে অন্তুর্ভুক্তির জন্য ১২টি আবেদন জমা পড়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে রশিদমুলে টাকা জমাদানকারী দাতা সদস্য প্রার্থী আব্দুল বাকী মন্ডল, রমিছা বেগম, আশরাফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ে রশিদমুলে টাকা জমা করেছেন আর আবেদন জমা দিয়েছেন ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে। সহকারী প্রধান শিক্ষক আমার কাছে না জেনে ওই তালিকা দিয়েছেন। এ জন্য তাকে শোকজ করা হয়েছে।

মতামত.........