মাধবদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা ঃ

সন্ত্রাসী হামলায় যুবক নিহত হওয়ার ৪ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর গত ৩ ডিসেম্বর রোববার মাধবদী থানা পুলিশ এজাহারভুক্ত ৫ জন আসামীর মধ্যে ২ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গত ২৫ আগস্ট হৃদয়কে হত্যা করার চেস্টার পরদিন ২৬ আগষ্ট হৃদয়ের পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে মাধবদী থানায় ১৪৩/৩৪১/৩০৭/৩২৩ ও ৩২৬ ধারায় একটি মামলা নং ৩৭ দায়ের করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিও তে ৪ দিন থাকার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় গত ২৯ আগষ্ট রাত ৩টায় হৃদয় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে হৃদয়। পরে গত ৯ সেপ্টেম্বর মামলার পরিদর্শক মাধবদী থানার এস আই বারেক নরসিংদীর বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে মামলাটিতে ৩০২ ধারা সংযোজন করার জন্য একটি আবেদন করলে আদালত মামলাটিতে ৩০২ ধারা সংযোজন করে হত্যা মামলা নেয়ার আদেশ দেন।

অত্র মামলার ৫ জন আসামীরা হলো মাধবদী থানার দক্ষিন বিরামপুরের আলী হোসেনের পুত্র আব্দুল্লাহ ওরফে বাংলা আরিফ(১৯), টাটা পাড়া মহল্লার মৃত চাঁন মিয়ার পুত্র নাঈম মিয়া, টাটা পাড়ার চাঁন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া বাবুল(২০), একই বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ রানা, ছানুর বাড়ির ভাড়াটিয়া দিনাজপুরের মৃত মাইদুলের ছেলে মোঃ মামুন(১৯)।

ঘটনা ঘটার পর থেকে দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ৩ ডিসেম্বর রোববার থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার এজাহারে থাকা ২ নং আসামী টাটা পাড়া মহল্লার মৃত চাঁন মিয়ার পুত্র নাঈম মিয়া ও ৫ নং আসামী ছানুর বাড়ির ভাড়াটিয়া দিনাজপুরের মৃত মাইদুলের ছেলে মোঃ মামুন(১৯) কে টাটা পাড়া মহল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে।

এস আই উত্তম জানান বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের চেস্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার বিবরন ও বাদী থেকে জানা যায় গত ২৫ আগস্ট গভীর রাতে উত্তর বিরামপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের পুত্র হৃদয় (১৯) মাধবদী নতুন বাসস্ট্যান্ডের মাইক্রো স্ট্যান্ডের পুর্ব পাশে অগ্রণী এস এম ই ফাইন্যান্সসিং কোম্পানী লিঃ এর সামনে প্রথমে সন্ত্রাসী দ্বারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৯ আগষ্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। পরে গত ৩ ডিসেম্বর রোবার মামলার মূল আসামীরা অধরা থাকলেও মামলার ২ নং ও ৫ নং আসামীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

এব্যাপারে মামলার বাদী মকবুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন আমি গরীব মানুষ তাই নিয়মিত থানায় যোগাযোগ করলেও পুলিশ ৫ জন আসামীর মধ্যে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কিন্তু বাকি আরো ৩ আসামীকে এখনো ধরতে পারছে না। বাদী মকবুল হোসেন আরো জানায় আসামীরা কোথায় থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য বাদীকে মৌখিক ভাবে আদেশ দেয় মাধবদী থানা পুলিশ।

এব্যাপারে বাদী মকবুল হোসেন এ প্রতিবেদককে জানায় আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরা ফেরা করলেও পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার না করায় চরম আতঙ্কে মানবেত জীবন যাপন করছে তার পরিবার। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কমনা করছেন নিহত হৃদয়ের পিতা মকবুল হোসেন।

মাধবদীর হৃদয় হত্যা মামলার ৪ মাস পর ২ আসামী গ্রেপ্তার

মতামত.........