DSCN1682এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি ঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আওতাধীন মেঘনা ও তেতুঁলিয়া নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কারেন্ট জাল, বিন্ধি জাল, মশারি জাল, পকেট জালের মাধ্যমে রেনু পোনা নিধনের মহোৎসব চলছে। বিশেষ করে বাগদা ও গলদা চিংড়ির রেনু পোনা। নিষিদ্ধ নেট কারেন্ট জাল দিয়ে এসব পোনা শিকার করায় নির্বিচারে মারা পড়ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা। এবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই পরিবেশ বিপর্যসহ চরম হুমকির মুখে পড়বে এ অঞ্চলের মৎস সম্পদ এমন আশংকা করেছেন মৎস বিশেষজ্ঞরা।
উপকূলের একাধিক জেলের সাথে আলাপ করলে তারা জানান, গদিতে প্রতিদিন দশদিনের জন্য নৌকা প্রতি একহাজার টাকা দিতে হয়। জেলেদের দেওয়া টাকা গদীর মালিকগন কোষ্টগার্ডের সাবেক বোট চালক হেলালের হাত দিয়ে চরমানিকা আউটপোষ্ট কোষ্টগার্ড কমান্ডার (পিও) সহ সী-ম্যানদের হাতে পৌছে যায়। Bhola-
কোষ্টগার্ড অফিস সূত্রে জানা যায়, চরফ্যাশন, লালমোহন, ও মনপুরা উপজেলার তেতুঁলিয়া নদীর কোষ্টগার্ড চরমানিকা আউটপোষ্টের অধীনে পাঙ্গাসিয়া, লালমোহনের খালগোড়া, গজারিয়া, কচুখালি, ঘোষেরহাট, বক্সিঘাট, নলূয়া, চর ইসলাম, চর বেষ্টিন, চর হাসিনা, ডালচর, পাতিলা , এক কপাট, আট কপাট, খেজুর গাছিয়া, চর মাইনুদ্দিন, সাম্রাজসহ বিভিন্ন চর থেকে প্রতি মাসে প্রায় তিন থেকে চার লাখ টাকা উপটৌকন আদায় করে। চর মানিকা বাজারের জনৈক এক ব্যক্তি জানান, প্রতি দশদিনের জন্য হেলালের মাধ্যমে আমরা টাকা দিয়ে থাকে। টাকা না দিলে হেলালের কথামতে কোষ্টগার্ড সদস্যরা জাল ধরে পুড়িয়ে ফেলে। 9983_1

জেলেদের অভিযোগের বিষয়ে হেলালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। টাকা আদায়ের সাথে আমি জড়িত নয়।

উক্ত বিষয়ে কোষ্টগার্ডের বর্তমান কমান্ডারকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, হেলাল আমাদের নাম ভাঙ্গিয়ে জেলেদের নিকট টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমণিত হওয়ার কারণে তাকে মাঝি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, আমরা সাধ্যমত নদীতে অভিযান পরিচালনা করছি। ভবিষ্যতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভোলায় অবাধে চলছে রেনু পোনা নিধন প্রশাসন নির্বিকার !

মতামত.........