bhola - 2এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি :
ভোলায় বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। মেঘনার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তলিয়ে গেছে জেলার ৫টি উপজেলার ৩০টি গ্রাম। পানি বন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। একই সাথে দেখা দিয়েছে পানি বাহিত বিভিন্ন রোগ বালাই। দুর্গত এসব এলাকায় ৯২টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। মজুদ রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঔষুধ।
ভোলা সদরে রাজাপুর ইউনিয়নর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ আগষ্ট) ভোলা সদরের ইলিশা, রাজাপুর, তজুমদ্দিনের চাঁদপুর, চরফ্যাশনের মাদ্রাজ, হামিদপুর, মোহাম্মদপুর, নজরুল নগর, কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চর পাতিলা, দৌলতখানের হাজিপুর, মেদুয়া, নেয়ামতপুর, লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ও মনপুরা উপজেলার উত্তর ও দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩০ গ্রাম প্লাবিত হয়। এসব এলাকার বসত ঘর, পুকুর, মাছের ঘের, রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা তলিয় যায়। বিশুদ্ধ পানি না থাকার কারণে দুর্গত এলাকার মানুষের ঘরে রান্না-বান্না চলছে না, জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করেই তাদের দিন কাটছে। পানির হাত থেকে রক্ষা পেতে অধিকাংশ মানুষ রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন। চুলা তলিয়ে যাওয়ায় কেউ রান্না করতে পারছেন না, তবে কেউ কেউ আবার শুকনা খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। কেউ আত্বীয়দের বাড়ি থেকে খাবার সংগ্রহ করছেন।e33886480ab3ec3bc558fb4359f91622-579a175308f09
ভোলার জেলা প্রশাসক মো: সেলিম উদ্দিন সংবাদ সবসময়কে বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ভোলা সদরের ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়নের ৮ মেট্রিক টন চাল ও ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
ভোলার সিভিল সার্জন ডা: ফরিদ আহমেদ সংবাদ সবসময়কে বলেন, স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে ৯২টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে, এছাড়াও পর্যপ্ত ওষুধ মজুদ রয়েছে।
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আক্তার সংবাদ সবসময়কে বলেন, বুধবার মেঘনার পানি ৩ দশমিক ৮৭ মিটার উচ্চতায় ছিলো যা বিপদসমীর ০.৪১ বেশী। এতে নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, সদরের ইলিশা ও রাজাপুরে প্রায় ৭০০মিটার এলাকায় নতুন করে বাধ নির্মানের কাজ শুরু করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।

ভোলার বন্যা কবলিত এলাকায় ৯২টি মেডিকেল টিম গঠন

মতামত.........