,

বেপরোয়া গতির কিছু নাম্বারবিহীন ড্যাম্পার পিকআপ এবং আরো একটি মৃত্যু, আহত ৪

SAM_1575আবদুল আউয়াল জনি, সংবাদ সবসময় :

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বেপরোয়া গতির নাম্বারবিহীন ড্যাম্পার পিকআপের ধাক্কায় নিভে গেল সিএনজি আরোহী শাহআলমের জীবনপ্রদীপ, চালক সহ অপর ৪জন গুরুতর আহত। নিহত শাহআলম (৩৪) লোহারদিঘীর পশ্চিম পাড় আবদুল হাকিম ভেট্টু সওদাগরের বাড়ির মৃত আবদুছ ছালামের পুত্র। ঘাতক নাম্বার বিহীন বেপরোয়া পিকআপটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় পালানো অবস্থায় তারা চালককে দেখেছেন, ছোট একটি ছেলে পালিয়ে যাচ্ছে, তারা বলেন সে কখনো চালক হতে পারেনা, তাকে দেখে মনে হয়েছে সে হেলপার।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার শাহপীর ফিলিং স্টেশনের সামনে লোহাগাড়ার হারেস কোম্পানির মালিকানাধীন নাম্বারবিহীন ড্যাম্পার পিকআপটি বেপরোয়া গতিতে একটি সিএনজি অটোরিক্সাকে সজোরে ধাক্কা দিলে ছিটকে বের হয়ে রাস্তায় পড়ে যায় ৪ সিএনজি আরোহী, এসময় শাহআলম আটকে থাকে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া সিএনজি অটোরিক্সার ভিতরে, লোকজন ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় শাহআলমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের সময় দোহাজারী নামক স্থানে মৃত্যু হয় শাহ আলমের।

উল্লেখ্য সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় প্রশাসনের নাকের ডগায় বেপরোয়া ভাবে চলছে শত শত অবৈধ রেজিষ্টেশন বিহীন নাম্বার বিহীন ড্রাম্পার পিকআপ,  চালাচ্ছে অনভিজ্ঞ চালক অথবা হেলপার,  প্রতিনিয়ত ঘটাচ্ছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা প্রান যাচ্ছে সাধারণ মানুষের, কিন্তু নাম্বার প্লেট না থাকার কারনে অনেকসময় দুঘটনা ঘটার পরে এসব গাড়ির নাম্বার জানা সম্ভব হয়না অভিযোগ আছে মালিক সমিতির পক্ষথেকে প্রতিটি নাম্বার বিহীন ড্রাম্পার পিকআপ থেকে নিদ্ধিষ্ট পরিমান টাকা পৌছে দেওয়া হয় হাইওয়ে পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে যার ফলে চলাচলে বাধা পেতে হয়না এবং যারা চালাচ্ছে তাদের অধিকাংশের লাইসেন্স নেই ফলে প্রায় প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ সবাই কিন্তু যেন দেখার কেউ নেই।

শত শত অবৈধ রেজিষ্টেশন বিহীন নাম্বার বিহীন ড্রাম্পার পিকআপ বেপরোয়া ভাবে চলছে নিয়মিত, চালাচ্ছে অনভিজ্ঞ চালক অথবা হেলপার ঘটাচ্ছে দুর্ঘটনা, প্রান যাচ্ছে সাধারণ মানুষের, কি ব্যাবস্থা নিবেন? জানতে চাইলে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহজাহান পিপিএম বলেন যদিও পুরো বিষয়টা থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের যৌথ বিষয় তারপরও আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি গাড়ি আটক করা হচ্ছে এবং জরিমানা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

মতামত.........