,

বালিয়াডাঙ্গীতে নাসরিন হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানবন্ধন অনুষ্টিত

কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :

নাসরিন হত্যার ৪দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে চাড়োল ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে ঠাকুরগাঁও এর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নববধু নাসরিনের উপর বর্বর নির্যাতন ও হত্যাকারীদের গ্রেফতার, অবিলম্বে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানবন্ধন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়


নাসরিন হত্যার ৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কোন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে না হওয়ায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে নারী পুরুষ, স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রী ১২কিলোমিটার দূর হতে প্রায় ৩ হাজার মানুষ বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শহরে আসে।
প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল শেষে ও উপজেলা শহরে প্রাণ কেন্দ্রের চৌরাস্তায় এক ঘন্টা ধরে মানবন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নাসরিন হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। আসামীদের গ্রেফতার চাই। স্বামী রেজাউল এর ফাঁসি চাই বিভিন্ন শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে বালিয়াডাঙ্গীর রাজপথ।


মানবন্ধনে ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ মইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন চলাকালীন সময় আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুজন, চাড়োল ইউপি চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার চ্যাটার্জী, নাসরিনের পিতা নাজিম উদ্দীন, মাতা- শরিফা, লাবু, ভাষানী, প্রমুখ।


মানবন্ধন শেষে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অভিমুখে যাত্রা শুরু করে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আঃ মান্নানের নিকট নাসরিনের পিতা নাজিম উদ্দীনের স্মারকলিপি প্রদান করেন এবং উপস্থিত জনতার উদ্দ্যেশে বলেন, নাসরিনের হত্যার ঘটনায় তিনি শোকাহত স্মারকলিপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করবেন আশ্বস্ত করেন। পরে বালিয়ডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বক্তর‌্য রাখেন আসামী গ্রেফতারের বিষয়ে আশ্বাস দেন।


বিক্ষোভের পর দুপুরে ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লালন দেওয়ান নাসরিন হত্যা মামলার তদরকি করতে আসেন তিনি ঘটনাস্থল বোয়ালধার ফতেপুর পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এএসপি (সার্কেল) হাসিবুল আলম, বালিয়ডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ওসি ( তদন্ত ) মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আসামীর গা ঢাকা দিয়ে আত্মগোপন করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার কোন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

মতামত.........