,

বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকা হুমকির মুখে, জরুরী হয়ে পড়েছে বনায়ন

Banskhali CTG Pic (Mizan) 18.04.2016মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় সৃজিত ঝাউবাগান দিন দিন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। এক দিকে বঙ্গোপসাগরের স্রোতের টান। অন্যদিকে ঝাউবাগানের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ার ফলে দিন দিন উজাড় হয়ে যাচ্ছে ঝাউ বাগান।

বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় ঝাউবাগান ও ম্যানগ্রোভ বাগান সৃজনের জন্য দীর্ঘদিন থেকে নানা ভাবে বনবিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। ফলে বিগত দিনে সৃজিত ঝাউবাগান সে সব স্থানে রয়েছে, সেই সব স্থানের উপকূলীয় অনেক মজবুত রয়েছে। অন্যদিকে যেসব স্থানে ঝাউবাগান সহ অন্যান্য কোন গাছ নেই সেই সব এলাকায় বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের স্রোতে বেঁড়িবাঁধ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকার লক্ষাধিক জনগণ। বিশেষ করে বাঁশখালীর খানখানাবাদ, বাহারছড়া, সরল, গন্ডামারা ও ছনুয়া এলাকার উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন জরুরী হয়ে পড়েছে। Banskhali CTG Pic (2) (Mizan) 18.04.2016

একদিকে বনায়নের জন্য যথেষ্ট অর্থ বরাদ্দ না থাকা, অন্যদিকে যথাযথ তদারকির অভাবে ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার অভাবে বনায়নকৃত এলাকায় গাছ সংরক্ষণ না হওয়া হিতবিপরীত হয়ে পড়েছে।

বিগত দিনে বেশ কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকার সৃজিত বাগান বিলীন হয়ে গেছে, অন্যদিকে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি উপকূলীয় এলাকায় নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নতুবা লবণ মাঠ অথবা চিংড়ি ঘের করার জন্য অনেক সময় উপকূলীয় বাগান নিধনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে সারা দেশে বনায়নের গুরুত্বারোপ করলেও সেক্ষেত্রে বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় যথাযথ ভাবে বনায়নের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যায় না বলে সংশ্লিষ্টরা দাবী করেন।

মতামত.........