Banskhali CTG Pic (Mizan) 11.07.2016মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের, বাঁশখালী প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপকূলীয় ৮টি ইউনিয়নের জনগণের দুর্যোগকালীন সময়ে একমাত্র আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত হয় আশ্রয় কেন্দ্র ও পাকা দালান গুলো। বিগত ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে বাঁশখালীর অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ মারা যাওয়ার পর সারা বিশ্বে বিভিন্ন দেশের দাতা সংস্থারা বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকা গুলোতে ১১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করে। যার মধ্যে বিগত দিনে কয়েকটি সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং কয়েকটি ভেঙে পড়ে এবং বেশ কিছু আশ্রয় কেন্দ্র জ্বারাজীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বাঁশখালী আশ্রয়কেন্দ্র গুলো প্রতিটি দুর্যোগেই সাধারণ জনগণের একমাত্র আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত হয় আশ্রয়কেন্দ্র গুলো।

১১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে জাইকা নির্মিত সাধনপুর ইউনিয়নের রাতারকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রটি সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। একই খানখানাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রেমাশিয়া রোসাঙ্গ্রী পাড়া রেডক্রিসেন্ট সেল্টারটিও সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বাকী পুকুরিয়া ইউনিয়নে ৫টি আশ্রয় কেন্দ্র থাকলেও তার মধ্যে একটি ব্যবহার অনুপযোগী। সাধনপুরে ৫টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে একটি সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। খানখানাবাদে ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র থাকলেও একটি সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং ২-৩টি ব্যবহার অনুপযোগী। বাহারছড়ায় বাহারছড়ায় ৯টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। কালীপুরে ৩টি, কাথারিয়ায় ৪টি, সরলে ৯টির মধ্যে ৩টি ব্যবহার অনুপযোগী। পৌরসভার জলদীতে ৭টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। শীলকূপে ৩টি, গন্ডামারায় ২৫টি আশ্রয় কেন্দ্র থাকলেও তার মধ্যে ৭-৮টি ব্যবহার অনুপযোগী, চাম্বলে ৩টি থাকলেও একটি ব্যবহার অনুপযোগী, শেখেরখীলে ৬টি, পুঁইছড়িতে ৫টি, ছনুয়ায় ১২টি থাকলেও তার মধ্যে বেশ কয়েকটির অবস্থা জ্বরাজীর্ণ।

বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকার জনগণকে দুর্যোগকালীন মুহুর্তে বাঁচাতে উপকূলীয় এলাকার আশ্রয় কেন্দ্র যথাযথ সংস্কার এবং নতুন করে আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের উপকূলীয় এলাকার জনগণ সরকারের প্রতি উদার্থ আহবান জানান। এ ব্যাপারে খানখানাবাদ এলাকার শহিদ উদ্দিন সিকদার বলেন, উপকূলীয় এলাকার জনগণকে বাঁচাতে এবং দুর্দিনে রক্ষা পেতে অবশ্যই আরো বেশী আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা প্রয়োজন। তার সাথে সাথে যেসব আশ্রয় কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে সেগুলো রক্ষার্থে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। ছনুয়া এলাকার ফজলুল কাদের বলেন, বাঁশখালীতে আরো বেশী আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করে মানুষের নিরাপত্তা বিধানসহ দুর্দিনে রক্ষার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

বাঁশখালীর ১১৮টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে অধিকাংশ ব্যবহার অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ

2 thoughts on “বাঁশখালীর ১১৮টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে অধিকাংশ ব্যবহার অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ

  • July 11, 2016 at 9:03 pm
    Permalink

    পশ্চিম বাঁশখালী উপকুলিয় এলাকার জনগনের এক মাত্র সাহস অশ্রয়কেন্দ্র ৷ তাই বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বিনিত আবেদন জানাই, যেন পশ্চিম বাঁশখালীতে যথাযত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মান করা হুক৷

    Reply
    • July 12, 2016 at 1:41 am
      Permalink

      আমাদের ও চাওয়া যাতে যথাযত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়………..

      Reply

মতামত.........