,

বাঁশখালীতে ২৫জন রোহিঙ্গাকে আটক করে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত

মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের, বাঁশখালী চট্টগ্রাম প্রতিনিধি-

মায়ানমারের আরাকান বাহীনির হামলা ও নির্যাতনে প্রান ভয়ে ছুটছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নর-নারী। রেহায় পাচ্ছেনা তাদের হাত থেকে ছোট ছোট শিশুরাও।প্রাণ বাচাঁতে মায়ানমার বাংলাদেশ সীমান্তে দিয়ে ডুকে পড়ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। মায়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গরা আশ্রয় খোঁজে বাঁশখালীর অবস্হান করে এমন  ১৮জন রোহিঙ্গা  বাঁশখালীর সাধনপুর ইউনিয়নের
বাণী গ্রাম পাহাড়ি এলাকায় মাওলানা তৌহিদের বাড়ীতে  ভাড়াটিয়া হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিল । তাদেরকে স্হানীয় জনগণের পক্ষ থেকে নানা
মুখী সহযোগিতা  করছে।

মায়ানমারের মংডু বাগঘোনা এলাকা থেকে আসা রোহিঙ্গা  মোঃ জালাল (৬৫) এর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ তার ভাই শামসু সাধনপুরে পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে আসছে। সম্প্রতি মায়ানমারে সহিংসতার পর তারা বাংলাদেশে এলে তাদের ভাই শামসু গিয়ে তাদের পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে  বাঁশখালী নিয়ে  আসে। এই রকম পূর্ব থেকে অবস্হান  করা বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা  তাদের আত্মীয় স্বজনকে বাঁশখালীতে নিয়ে আসা হয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। এ খবর পেয়ে (১৩ সেপ্টেম্বর) বুধবার বাঁশখালী থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে টেকনাফের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (কুতংপাল) পাঠিয়ে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, বাঁশখালীতে অনুপ্রবেশ কারী রোহিঙ্গা শরনার্থীদের অবস্হান নির্ণয়ে জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সহযোগীতা  চাওয়া হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা মতে আটক রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে পাটানো হবে। তাছাড়া বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় রোহিঙ্গাদের অবস্হান চিহ্নিত করে তাদেরকে ও শরনার্থী ক্যাম্পে পাটানো হবে বলে ও তিনি জানান।

স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পুইছুড়ি, ছনুয়া,চাম্বল, শেখেরখীল, শীলকূপ, জলদী পৌরসদর, কালীপুর, সাধনপুর ও পুকুরিয়া ইউনিয়নের পাহাড়ী এলাকায় রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্হান নিয়েছেন বলে স্হানীয়রা জানান। তবে মানবিক দিক দিয়ে বিবেচনা করে অনেকেই আশ্রয় ও খাবার দিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারী নির্দেশনা মতে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন ব্যাতিত এলাকায় অনুপ্রবেশ আইনত অপরাদ বলে ও স্হানীয় অভিজ্ঞ মহল অভিমত ব্যক্ত করেছেন।এ দিকে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের অচিরেই ক্যাম্পে পৌছে দিয়ে  নিবন্ধন করা না হলে অর্থ অভাবে তারা দেশের বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডে  সাথে জড়িয়ে পড়বেন বলে ও মত দিয়েছেন স্হানীয়রা।

মতামত.........