গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জে পেয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম এখন লাগামহীন। যার প্রভাব পড়ছে সাধারন ক্রেতাদের ওপর। গোপালগঞ্জের খুচরা বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়। ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। অথচ এক থেকে দেড় মাস আগেও দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে মাত্র ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৩৮ টাকায়। এছাড়াও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। সে হিসাবে গত এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০/৫০ টাকা। এর মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিন দফায় দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। এ ভাবে দফায় দফায় পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারনে সাধারন ক্রেতাদের পরিস্থিতি হতাশা জনক।

গোপালগঞ্জ বাজারের পুরাতন পাইকারী পেয়াজ ও কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী মো: আব্দুল মালেক জানান, ইন্ডিয়া থেকে আমদানি করা পেয়াজের শুল্ক বাড়ানোর কারনে এই মূল্য বৃদ্ধি বলে তার ধারনা। একই বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মো: গোলাম হোসেন বলেন, পেয়াজের দাম বাড়ার কারনে চাহিদা কমে গেছে, যার কারনে বিক্রিও কম হচ্ছে।

গোপালগঞ্জের সাধারন ক্রেতা মনির মোল্লা তার হতাশার কথা বলতে গিয়ে বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরই যত সমস্যা, এত টাকা দিয়ে পেয়াজ কিনতে হলে আমরা বাঁচবো কী করে ? খুব তাড়াতাড়ি পেয়াজের দাম কমানোর দাবি সাধারন ক্রেতাদের।

এদিকে সরেজমিন গোপালগঞ্জের পুরাতন ও নতুন বাজার ঘুরে দেশি ও আমদানি করা কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের কোনো সংকট দেখা যায়নি। সাধারন মানুষের অনুরোধ সরকার যেন দ্রুত কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রনে এনে সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে রাখে।

পেয়াজ ও কাঁচা মরিচের দামের উর্দ্ধ গতিতে বিপাকে গোপালগঞ্জের সাধারন ক্রেতারা

মতামত.........