,

নোয়াখালীর সেই মেধাবী ছাত্রী চামেলি দেখতে চাই পৃথিবী

নুর উদ্দিন মুরাদ, নোয়াখালী প্রতিনিধি- 

নোয়াখালী সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্রী রেহান আফসানা চামেলির গল্প (এসএসসি A+ এইচএসসি A+ এবং অনার্সে গণিত বিভাগের সেরা ছাত্রী) ২০১৫সালের ২সেপ্টেম্বর সকালের কথা, মা তার আদরের মেয়ে চামেলিকে সকালের খাবার আদর করে খাইয়ে নোয়াখালী সরকারী কলেজের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছিলেন। যথারীতি সিএনজি করে যাওয়া আসা হতো কলেজে কিন্ত কে জানতো ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বরে ঘরে ফিরে আসার এ যাত্রা যে তার জীবনের অংক পাল্টে দিবে?

ফিরে আসার পথে ঘাতক বাস এসে আঘাত করে সিএনজি কে। সে সময়েই মৃত্যু হয় রেহান আফসানা চামেলির চাচাতো বোনের আর বেঁচে যায় রেহান আফসানা চামেলি, তাও আবার মৃত্যুর চেয়ে ভয়ানক কিছু মতো হয়ে। মাথায় বড় ধরনের আঘাতের কারনে বাক শক্তি হারিয়ে দীর্ঘ এক বছর তিন মাসের মতো নিথর দেহটি পড়ে আছেন চট্রগ্রাম মেডিক্যালে।

নেই উন্নত চিকিৎসা’র ব্যবস্থা, নেই কেউ খোজ নেওয়ার! পাশে শুয়ে থাকে মা, বাবার ঘুম নেই, প্রতিটা মূহুর্ত অনিশ্চয়তায় কাটে..এই বুঝি আই সি ইউ’র মনিটর বন্ধ হয়ে গেলো, এই বুঝি জীবনের হিসেব নিকশের খাতাটি বন্ধ হয়ে গেলো.? তবু আশায় দিন গুনেন বাবা-মা।

এখন অব্দি ২১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বাবা’র, বিক্রি করেছেন একমাত্র আয়ের উৎস দোকানটি, বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ভাইটি ছেঁড়ে দিয়েছে তার পড়ালেখা..কারন ভাইয়ের স্বপ্ন এখন বোনের চিকিৎসা করা কিন্ত স্বপ্ন আর ব্যাস্ততা যে আকাশ পাতাল তফাত।

প্রতিদিন মেডিসিন খরচ প্রায় ২ হাজার টাকা, যা চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাবাকে। আসুন একটু এগিয়ে আসি বোনটিকে বাঁচাতে। আপনার জন্য আমি, আমার জন্য আপনি, এটাইতো মানবতা। কিছু টাকার জন্য একটা প্রাণ এভাবে হারিয়ে যেতে পারেনা! আসুন যে যেখানেই আছি সেখান থেকে মেয়েটার জন্য এগিয়ে আসি!

বাড়ী কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী সরকারী কলেজ পড়ে ২বছর আাগে সডক দূর্ঘটনা ঘটে, বাগান বাডির পাশে। তার সাথে একটি মেয়ে মারা যায়। সে ২২মাস ধরে হাসপাতাল চেতনা পিরেছে ১সপ্তাহ। কিন্তু চোখে দেখতেচেনা। বর্তমানে চোখের অপারেশন ও থেরাপী খুব প্রয়োজন। এমতাবস্থায় মেয়ের পিতা জায়গা জমি ও সংরক্ষিত অর্থ সবই শেষ করে ফেলে চিকিৎসা করাতে পারছেনা।

দুটি বছর মেয়েটির বৃদ্ধ মা বাবা কত কষ্ট করে, কত রাত বিনিদ্র থেকে মেয়ের সেবা করেছেন। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য দুই বছর এ চিকিৎসা চালানো কিছুতেই সম্ভব নয়। রিহামের স্কুল, কলেজের বন্ধুরা অর্থ সংগ্রহের জন্য অনেকের কাছে গিয়েছেন। তাদের ভাষ্যমতে অাশানুরূপ সাড়া তারা পায়নি। এখন সাভারের এক হাসপাতালে রিহামের থেরাপি চলছে। নিউরো সার্জনের মতে, তিন মাস এ থেরাপি দিতে হবে। কিন্তু এ তিন মাসের চিকিৎসার খরচ যোগানোর মত অর্থ তার বাবার কাছে নেই।এ ছাড়া রিহামের অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সে দুচোখেই দেখতে পায় না।  এ  মুহূর্তে বিদেশে নিয়ে তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।

সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানাঃ (ব্যাংক) মিজানুর রহমান একাউন্ট নাম্বারঃ ১৬৬১১০৮৬০৫ ডাচ বাংলা ব্যাংক (শাখাঃ বসুর হাট) কোম্পানিগঞ্জ, নোয়াখালী,বাংলাদেশ। সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানাঃ (বিকাশ) ০১৮৩৩৫৭৭২৫৪ (পার্সোনাল) ।

যোগাযোগঃ মিজান রহমান (আফসানার বাবা) মোবাইলঃ ০১৮৩৩৫৭৭২৫৪

সতর্কীকরণ-

দয়াকরে কেউ রেহান আফসান (চ্যামেলির) বাবার একাউন্ট/বিকাশ নাম্বার ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির বিকাশ অথবা একউন্টে কোন রকম অর্থ ট্রান্সফার করবেন না।

মতামত.........