,

নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি

New Imageসুমন কুমার বর্মণ, গাইবান্ধা (সদর) প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধা জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। অব্যাহত রয়েছে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ঘাঘট, করতোয়াসহ সবগুলা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রেকর্ড করা তথ্য মতে ব্রহ্মপুত্রের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৫০ ও ঘাঘটের পানি গাইবান্ধা পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে ১৮ সেমিন্টার নিচ দিয়ে এবং করতোয়ার পানি কাটাখালি পয়েন্টে ৯০ সেমিন্টার বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা গত সোমবারের চেয়ে তিস্তা নদীর পানি ৪৩ সেন্টিমিটার ব্রহ্মপুত্রের ৪১ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এছাড়া ঘাঘট নদীর পানি বেড়েছে ৪২ সেন্টিমিটার ও করতোয়া ১৩ সেন্টিমিটার।

আগামী ৪৮ ঘন্টায় তিস্তা ও করতোয়ার পানি বৃদ্ধিসহ ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘটের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এসব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিসহ আরো নতুন অঞ্চল প্লাবিত হবার আশঙ্কা রয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা প্রর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়।

এতে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের বন্যা কবলিত প্রায় দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নিয়েছেন। নদ-নদীগুলোর চরাঞ্চলসহ উপকূলগুলো প্লাবিত হওয়ায় দেখা দিয়েছে গৃহপালিত পশু-পাখিসহ বানভাসী মানুষদের বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট। বন্যার্তদের মাঝে ২শ’ মেট্রিন টন চাল, নগদ ২ লাখ টাকা ও ৫ লাখ টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে বলে জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

মতামত.........