,

নদভী নয়, আ.লীগের মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে আমিন

সংবাদ সবসময়.কম

সাতকানিয়া-লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম-১৫) আসনের এমপি আবু রেজা মোহম্মদ নিজামুদ্দিন নদভী নয়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন। আওয়ামী লীগের হাই কমান্ডের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিষয়টি পূর্বপশ্চিমকে নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ ১৫ আগষ্টের জাতীয় শোক দিবসের কোন কর্মসূচিতে এলাকায় ছিলেন না সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নিজামুদ্দিন নদভী। এছাড়া তার তার স্ত্রী রিজিয়া রেজাকে ঘিরেও রয়েছে বিতর্ক। জামায়াত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনোনীত হওয়ার পর সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া তৃণমূল আওয়ামী লীগ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। পাশাপাশি সারাদেশে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল।

সাতকানিয়া-লোহাগাড়া তৃণমূলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেছেন, বর্তমান এমপি আবু রেজা মোহম্মদ নিজামুদ্দিন নদভী তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তেমন কোনো যোগাযোগই রক্ষা করেন না। তিনি দম্ভোক্তি উচ্চারণ করে প্রায় বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজনীতি আমি আগেও করিনি, এখনো করি না, ভবিষ্যতেও তাদের দরকার পরবে না।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আরো বলেন, জরুরি কোনো কাজ থাকলে এমপি নদভী দেশের বাইরে থাকতেই পারে। তবে যেখানে দেশের প্রায় সব এমপি মন্ত্রীরাই জাতীয় শোক দিবসে নিজ নির্বাচনী এলাকায় থেকে দলের জন্য কাজ করেছেন তিনি তখন সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। উল্টো তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে বলে বিভিন্ন মহলে কথা বলছেন।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন পূর্বপশ্চিমকে বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি। দল ও নেত্রীর মনোনয়ন পেলে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় মুজিব আদর্শের বিজয় পতাকা উড়াতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

জামায়াত ইসলামের আন্দোলন দমনে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তা মোকাবিলা করেছেন। এছাড়া ওয়ান ইলেভেনের সময় ধানমন্ডির সুধাসদনে সার্বক্ষণিক ছিলেন এই আমিনুল ইসলাম আমিন। নেত্রী (শেখ হাসিনা) গ্রেপ্তারের পর জজ কোর্টে পরে থাকতেন, এছাড়া নিয়মিত নেত্রীর মুক্তি আন্দোলন, মানববন্ধন, স্বাক্ষর অভিযানে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের একজন পরিক্ষীত সৈনিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তৃণমূলের অভিযোগের বিষয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নিজামুদ্দিন নদভীকে মুঠোফোনে ফোন করলে তিনি কেটে দেন। পরবর্তীতে নিউজের বিষয়ে কথা বলতে চাই এমন একটি ক্ষুদে বার্তা তার মুঠোফোনে পাঠানো হলেও তিনি কোনো প্রতিউত্তর করেননি।

 

সুত্র: -পূর্বপশ্চিমবিডি.কম

মতামত.........