,

তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কলাবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে তরমুজ চাষিদের মাঝে স্বল্প সুদে গোপালগঞ্জ জেলার সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংক লি:এর পক্ষ থেকে ঋণ দেওয়া হয় । এই ঋণ গ্রহণ করে তরমুজ চাষিরা অনেক উপকৃত হয়ে থাকেন। অভিযোগ উঠেছে এই ঋণ পেতে কৃষকের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

অভিযোগে সূত্রে জানাযায়, গোপালগঞ্জ জেলার সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংক লি: এর ম্যানেজার শহীদুল্লাহ হারেজ র বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণ, অসৌজ্যন্যমুলক আচরণ সহ অন্যান্য বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯.১১.২০১৫ইং তারিখ ২নং চকপুকুরিয়া তরমুজ চাষি কৃষক কল্যান সমবায় সমিতি লি: ৩৫ জন সদস্য নিয়ে একটি সমিতিটি গঠন করা হয়। যার নিবন্ধন নং ০৪২। উরোক্ত সালে থেকে গোপালগঞ্জের সমবায় সমিতির ম্যানেজার মো:শহীদুল্লাহ হারেজ সমিতির প্রত্যেক সদস্যেদের কাছ থেকে ব্যাংক একাউন্ট খোলা ,ষ্ট্যাম্প খরচ,টাইপ খরচ সহ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ১৬৫০ টাকা করে প্রত্যেক ব্যাক্তির কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহন করেণ। এছাড়া ষ্ট্যাম্প বাবদ তিনি প্রতি সদস্যেদের কাছ থেকে পুনরায় অতিরিক্ত ৬০০ টাকা করে নিয়ে থাকেন। প্রতি বছর প্রত্যেকের কাছ থেকে ষ্ট্যাম্প বাবদ ৬০০ টাকা করে নিয়ে যাচ্ছেন। আজ পর্যন্ত কোন ষ্ট্যাম্প ক্রয় করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্যেখ্ করা হয়। এই ষ্ট্যাম্পে কোন সদস্যদের স্বাক্ষর ও নেওয়া হয়নি।

২নং চকপুকুরিয়া তরমুজ চাষি কৃষক কল্যান সমবায় সমিতি লি:এর পক্ষ থেকে ৫৩ জন সদস্যদের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র বিভিন্ন দপ্তরে পাঠিয়ে দেন। অভিযোগে আরো উল্যেখ্য থাকে সমিতির তরমুজ চাষ প্রকল্পের ঋণের কাগজ পত্র ঢাকায় পাঠানোর কথা বলে প্রতি বছর (২০১৫ও২০১৬) সালে ৫০০০ হাজার টাকা করে উৎকোচ গ্রহণ করেণ। মাছপাড়া তরমুজ চাষি সমবায় লি:এর প্রত্যেক সদস্যদের নিকট থেকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে৫০০ থেকে ৭০০টাকা করে উৎকোচ গ্রহণ করেণ। ঋন পাশের কাগজ পত্র ঢাকায় পাঠানোর কথা বলে অতিরিক্ত ২৩০০ হাজার টাকা করে প্রত্যেকের কাছ থেকে নিয়ে থাকেন। তিনি ভ্রমনের অজুহাত দেখিয়ে প্রায়ই অফিসে অনুপস্থিত থাকেন বলে অভিযোগে উল্যেখ্য থাকে। এছাড়া মাছপাড়া তরমুজ চাষি কৃষক কল্যান সমবায় সমিতি লি: চাষিদের কাছ থেকে বিভিন্ন উপায়ে উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ পাওয়া যায় এবং তারা পৃথক ভাবে বিভিন্ন দপ্তরে ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

মাছপাড়া তরমুজ চাষি লি: এর পক্ষ থেকে নারায়ন বাড়ৈ বলেন,আমি ২০১২ সাল থেকে এই ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহন করে আসছি আমার কাছ থেকেও ২৩০০ টাকা করে নিয়েছেন। টাকা নেওয়ার ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন ষ্ট্যাম্প,আবেদন ফরম, MICR চেক ও সরকারি গ্রান্টারের জন্য এটাকা দিতেহবে। নতুন কোন সদস্য ঋণ গ্রহন করতে হলে ম্যানেজার হারেজ স্যারকে ২০০০ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়।

এ ব্যপারে গোপালগঞ্জ জেলার সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংক লি: এর ম্যানেজার শহীদুল্লাহ হারেজ র সাথে মোবাইলফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা,বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।

মতামত.........