,

তজুমুদ্দিনে খোলা আকাশের নিচে রোয়ানুর ক্ষতিগ্রস্থ ১৫০০ পরিবার

bhola-r-pic-1এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি :
ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু গত হওয়ার একচল্লিশ দিন পেরিয়ে গেলেও ভোলার তজুমুদ্দিনের ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় ১৫০০ পরিবার এখনো খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বল্প পরিমাণ ত্রান দেওয়া হলেও বেশিরভাগ পরিবারের ভাগ্যে জোটেনি ত্রান সামগ্রী।

Roanu 02
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রোয়ানুর আঘাতে তজুমুদ্দিন থানার চাঁদপুর ইউনিয়নের মহাজন কান্দি, বালিয়া কান্দি, ভূলাইকান্দি, দরি চাঁদপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এসব গ্রামের বাসিন্দাদের ঘর-ভিটা, আসবাব পত্র ও গৃহপালিত পশু হারিয়ে বেশিরভাগ মানুষ বিধ্বস্থ হয়েছে। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল পরিবারগুলো ঘর মেরামত করতে পারলেও দরিদ্র পরিবারগুলো সেই ভাঙ্গা ঘরগুলো এখনো মেরামত করতে পারেনি। এসকল পরিবারগুলোতে চলছে চরম দুঃখ দুর্দশা। মাথা গুজার একমাত্র ঠাই হারিয়ে পরিবারগুলো দিন কাটাচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। সরকারিভাবে ও এনজিও সংস্থার মাধ্যমে ত্রান দেওয়া হলেও তা কোন পরিপূর্ণ কাজে আসেনি এসব পরিবারের। কারণ বেশিরভাগ মানুষই এই ত্রান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। যাদের ভাগ্যে জুটেছে তারা তা দিয়ে নতুন ঘর নির্মানতো দূরের কথা পরিবারের সদস্যদের মুখে খাওয়ার তুলে দেওয়াই দুস্কর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় ত্রান নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হাজারো পরিবার অভিযোগ তুলে ধরেন। Roanu 01
এ ব্যাপারে ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, রোয়ানুতে ক্ষতিগ্রস্ত সাত শতাধিক পরিবারের মধ্যে তিনশত টন চাল, দুইশো পঞ্চাশ বান্ডেল ঢেউ টিন এবং ঢেউ টিনের বান্ডেল প্রতি তিন হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রত্যেক পরিবারকে। ত্রান সামগ্রী গুলোর মধ্যে সবগুলো চাল বিতরণ হলেও কিছু ঢেউ টিন এখনো বিতরণ হয়নী। তবে খুব শিগরই তা বিতরন করা হবে। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিজিএফ ও বিজিডি এর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এতে আরো দুটি বেসরকারি সংস্থা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে ত্রান দিবে বলে আমাদের জানিয়েছে।

মতামত.........