,

ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মাধবদীতে মোটরসাইকেল চালক নিহত

মোঃ আল আমিন, মাধবদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা ঃ
পাথর বোঝাই বেপরোয়া ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে এবং অপর দুু’আরোহী মারাতœক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্ত্তি রয়েছে। গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮ টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবদী বাসস্ট্যান্ডের পুলিশ বক্সের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুুর্ঘটনায় নিহত হন গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার ভাননাড়া গ্রামের তোতা মিয়ার পুত্র ছিদ্দিক পারভেজ(৩৪) ও মারাতœক আহতরা হলেন তারই সহকর্মী মোটরসাইকেলের অপর ২ আরোহী ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার ইদ্রিস আলীর ছেলে শাহিন(২০) ও একই থানার আব্দুল কুদ্দুস আলীর ছেলে নাজমুল হক(২৬)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ও পুলিশ জানায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবদী বাসস্ট্যান্ডের পুলিশ বক্সের সামনে এসে দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি ঢাকাগামী একটি পাথর বোঝাই করা ট্রাককে ওভারটেক করে ট্রাকের সামনে এলে ট্রাকটি পিছন দিক থেকে মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেলের তিন জনই ছিটকে রাস্তার ওপর লুটিয়ে পরে এসময় মোটরসাইকেল চালক ছিদ্দিক পারভেজ ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অপর দু’জন আরোহী মারাতœক আহত হয়ে রাস্তায় ওপর পরে থাকলে আশপাশের লোকজন দৌড়ে এসে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে দু’জনের মধ্যে নাজমুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে সাথে সাথে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এসময় ট্রাকের চালক ও হেলপার ট্রাকটিকে রাাস্তার ওপর ফেলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে মাধবদী থানা পুলিশ সংবাদপেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ছিদ্দিক পারভেজের মরদেহ উদ্ধার ও ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করেন।

আহত শাহিন জানান, তারা তিন জনই ঢাকার একটি কোম্পানির হয়ে এসি/ফ্রিজ মেকানিক্যালের কাজ করে। ঐ রাতে নরসিংদী থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় তার সহকর্মী ছিদ্দিক পারভেজ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আরেক সহকর্মী গুরুত্বর আহত হয়। শাহিন আরো বলেন, নিহত ছিদ্দিকের বাবার বাড়ি আগে ঢাকার নবাবগঞ্জে তাদের বাড়ির সাথেই ছিলো পরে তারা তাদের বাড়ি ছেড়ে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার ভাননাড়া গ্রামে বাড়ি ঘর করে বাবা মা সহ সপরিবারে বসবাস করছেন।

মাধবদী থানার এস আই ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন নিহত মটোরসাইকেল আহোরী ছিদ্দিক পারভেজের লাশ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হলে নিহতের পিতা তোতা মিয়া মাধবদী থানায় এসে তার ছেলের মরদেহ নিতে চাইলে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইলিয়াসের অনুমতি ক্রমে সকল আইনিপ্রক্রিয়া শেষে তোতা মিয়াকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরো বলেন, এব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মতামত.........