,

‘ছাত্রদেরকেই ভিসির বাড়ি লুটের মাল খুঁজে বের করে দিতে হবে’ প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ সবসময় ডেস্ক:

রবিবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে যে লুটপাট ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে, সেই লুটের মালপত্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরই খুঁজে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এরই মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার ব্চিার হতে হবে। বুধবার (১১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কোটা সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন নানক। সংসদকে এ বিষয়ে উত্তর দিতে গিয়ে কোটা সংস্কারের আন্দোলন চলাকালে রবিবার রাতে ঢাকা ব্শ্বিবিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর ও লুটপাট প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভিসির বাড়ি কারা ভেঙেছে, লুটপাট কারা করেছে, লুটের মাল কোথায় আছে, কার কার কাছে আছে—ওই ছাত্রদেরই তা খুঁজে বের করে দিতে হবে। সেই সঙ্গে যারা এই ভাঙচুর-লুটপাটের সঙ্গে জড়িত, তাদের অবশ্যই বিচার হতে হবে। এরই মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থাকে আমরা নামিয়েছি। এটা তদন্ত করে বের করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে আমি শিক্ষক-ছাত্র তাদেরও সহযোগিতা চাই। কারণ, এত বড় অন্যায় আমরা কোনোমতে মেনে নিতে পারি না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখনও আমাদের শিক্ষক যারা বেঁচে আছেন, তাদের যখন দেখি, আমরা তাদের সম্মান করি। আমি প্রধানমন্ত্রী হই বা যাই হই, যখন আমি শিক্ষকের কাছে যাই তখন আমি তার ছাত্রী। সেভাবেই তাদের সাথে আচরণ করি। গুরুজনকে অপমান করে শিক্ষা লাভ করা যায় না। সেটা প্রকৃত শিক্ষা হয় না। হয়তো একটা ডিগ্রি হতে পারে, কিন্তু সেটা প্রকৃত শিক্ষা হয় না। প্রত্যেককেই একটা শালীনতা বজায় রাখতে হবে। নিয়ম মেনে চলতে হবে। আইন মেনে চলতে হবে।’

কোটা নিয়ে চলমান আন্দোলনের জের ধরে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলে দেন, ‘কোটা ব্যবস্থা বাদ, এটাই আমার পরিষ্কার কথা।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সময় রাত ১টার দিকে এক থেকে দুই হাজার বিক্ষোভকারী ঢাবি উপাচার্যের বাসার মূল ফটক ভেঙে ফেলে ও দেয়ালের তারকাঁটা ভেঙে বাসায় ঢুকে পড়ে। তাদের হাতে রড, হকি স্টিক, লাঠি ও বাঁশ ছিল। হামলাকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে থাকা গাড়িতে আগুন দেয় এবং গোটা বাড়ির প্রায় প্রতিটি রুমে ভাঙচুর চালায়। তবে হামলায় উপাচার্যের পরিবারের কেউ আহত হননি।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিয়ন

মতামত.........