,

চাঁদাবাজদের সাথে শ্রমিকদের সংঘর্ষে চট্টগ্রামে ৩ ঘন্টা বন্ধ ছিল যান চলাচল

রাজীব চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের নতুনব্রীজ এলাকায় ৩০শে জুলাই পরিবহন শ্রমিকদের সাথে স্থানীয় চাঁদাবাজদের সংঘর্ষের জেরে ৩ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে, এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে পর্যটক সহ যাত্রীরা।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে অবৈধভাবে ঝুকিপুর্ন ভাবে যাত্রী পরিবহনকারী হাইয়েছ মাইক্রোবাসগুলো গুলবাহার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে গাড়ি ছাড়ার পরিবর্তে গোল চক্করে রাস্তার উপর স্ট্যান্ড বানিয়ে যানজট সৃষ্টির কারনে পুলিশ প্রতিনিয়ত তাদেরকে বাঁধা প্রদান করে আসছিল। পুলিশের বাধার কারণে গাড়ি চালাতে নাপেরে এই হাইস মাইক্রোবাস পরিচালনার সাথে জড়িত কিছু বহিরাগত সন্ত্রাসী, স্থানীয় মাস্তানরা ইউনিক পরিবহন ও এস আলম পরিবহন সহ বাস শ্রমিকদের উপর লাঠি, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকটি বাস কাউন্টারে ভাংচুর ও লুটপাট চালায় এতে বাকলিয়া থানার এলাকাধীন কর্নফুলী ব্রীজ এলাকায় চাঁদাবাজদের সাথে শ্রমিকদের সংঘর্ষ বাঁধে, গুরুতর আহত হয় বেশ কয়েকজন বাস শ্রমিক ফলে সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যায় চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলকারী সকল পরিবহণের বাস চলাচল, ৩ ঘন্টা যাবৎ চরম দুর্ভোগে পড়ে যাত্রীরা। 76f85a8df9afb3105337680d7d3452f8-4

বাকলিয়া থানার ওসি আবুল মনসুরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন সংবাদ সবসময়কে তিনি জানান, আমরা এই ঘটনা তদন্তে মাঠে নেমেছি ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত ৪ সন্ত্রাসীকে আমরা আটক করেছি এবং যত দ্রুত সম্ভব বাকি সন্ত্রাসীদের আটক করা হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটিসভাপতি আরাকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুছা সংবাদ সবসময়কে বলেন চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে অবৈধভাবে ঝুকিপুর্ন ভাবে যাত্রী পরিবহনকারী হাইয়েছ মাইক্রোবাসগুলো গুলবাহার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে গাড়ি ছাড়ার পরিবর্তে গোল চক্করে রাস্তার উপর স্ট্যান্ড বানিয়ে যানজট সৃষ্টির কারনে পুলিশ প্রতিনিয়ত তাদেরকে বাঁধা প্রদান করে আসছিল। পুলিশের বাধার কারণে গাড়ি চালাতে নাপেরে এই হাইস মাইক্রোবাস পরিচালনার সাথে জড়িত কিছু বহিরাগত সন্ত্রাসী, স্থানীয় মাস্তানরা আমার শ্রমিকদের উপর হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন শ্রমিককে আহত করে, যদি এই ধরনের কোন হস্তক্ষেপ ভবিষ্যতে হয় তাহলে বৃহত্তর চট্টগ্রামে পরিবহন মালিক শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিতে বাধ্য হবে।

মতামত.........