,

চট্টগ্রাম মহানগরীর বেশীরভাগ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক

imagesরাজীব চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

বর্ষাকালের বৃষ্টিতে অতিবর্ষনের ফলে সড়কের বিটুমিন ও ইট কংক্রিট উঠে গিয়ে বড় বড় খানা খন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে,আর এই জন্য ভীষণ দূর্ভোগে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরবাসী যদি ও এর দায়িত্বে আছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, উল্লেখ্য যে ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে চট্টগ্রাম মহানগরীর সড়ক ব্যবস্থার জন্য ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে চসিক,পাশাপাশি চট্টগ্রাম ওয়াসার পক্ষ থেকে চসিক কে ৩০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে সড়ক মেরামতের জন্য।
প্রতিবছরই বর্ষা আসলে বেহাল দশা দেখা যায় সড়কগুলোর, বর্ষা শেষে মেরামত করার ১ বছরের মাথায় আবার বর্ষা এলে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সড়কগুলো।

নগরবাসীর প্রশ্ন কেন স্থায়ীভাবে কাজগুলো করা হচ্ছে না,প্রতি বছর বছর সংস্কারের পর ও আবার ও কেন একই অবস্থা ? চসিক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিন দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি,তবে দেখা যাচ্ছে ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের মেরামত শুরু করেছে চসিক।

এদিকে নগরীর বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শনে দেখা গেছে,রাস্তার মাথা থেকে বহদ্দারহাট, ২ নং মেয়র গলি থেকে বায়েজীদ টেকনিক্যাল, বহদ্দারহাট থেকে কর্ণফুলী ব্রীজ,বহদ্দারহাট থেকে বলিরহাট পর্য্যন্ত সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানা খন্দ, পাক্কা দোকান এলাকার মোঃ রুবেল নামে এক বাসিন্দা প্রশ্ন রেখে বলেছেন,এই সড়কগুলোর হর্তা কর্তা কি কেউ নেই?

চসিক কর্মকর্তা কাজী শফিউল আলমের কাছ থেকে কত কিলো মিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,পুরো শহরের প্রায়ই সড়কের মধ্যে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে,তাই আমরা যেখানেই দেখছি সেখানেই সংস্কার করছি।

উল্লেখ্য যে,চসিক এর সড়ক,নর্দমা কাঁচা রাস্তা মেরামত খাতে ব্যয় বাজেট ২০ কোটি টাকা এছাড়া এডিবির আওতায় ব্যয় বরাদ্দ আরো ৫০ কোটি টাকা,এদিকে ওয়াসার সংস্কার কাজের জন্য চসিককে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা,তবে প্রতিবছরের মতো এবার ও একইভাবে সংস্কার কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেছে চসিক।

মতামত.........