,

চট্টগ্রামে পোল্ট্রি শিল্পে হুমকীর মুখে বিনিয়োগ, সিন্ডিকেট কারসাজির অভিযোগ

006রাজিব চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের পোল্ট্রি শিল্পে হুমকীর মুখে বিনিয়োগ, পোল্ট্রি শিল্পে বাচ্চা এবং খাবারের দামে কোন নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বিনিয়োগকৃত দুই হাজার কোটি টাকা এবং পুরো সেক্টরটি ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়েছে, হ্যাচারি মালিক এবং ফিডমিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কাছে ক্ষুদ্র খামারি ব্যবসায়ীরা অসহায় হয়ে পড়েছে, অথচ পুরো সেক্টর টিতে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুএের মাধ্যমে জানা গেছে, বৃহত্তর চট্টগ্রামে ৩০ হাজারের ও বেশী মুরগীর খামার রয়েছে,হ্যাচারি থেকে কিনে নিয়ে লালন পালন করা অধিকাংশ খামারির ব্যবসা, কোন কোন খামারে মুরগীর ডিম উৎপাদন করে বিক্রি করা হয়, এই মুরগীর বাচ্চা কিনা নিয়ে যত রকমের ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হচেছ খামার মালিকেরা, মুরগীর বাচ্চা কোনদিন বিক্রি করে ৫০ টাকা,কোনদিন ৪০ টাকা, আবার কোনদিন ৮০ টাকায় গিয়ে টেকে, বাচ্চার বাজার দরে বেসামাল চলছে বেশ কিছুদিন ধরে, গতকাল ১টি মুরগীর বাচ্চার দাম ছিল ৭৯টাকা,সেই বাচ্চাকে লালন পালন করে ১ কেজি ওজন করতে ২ কেজি খাবার দরকার পড়ে,গতকাল ২কেজি খাবারের দাম ছিল ৯৪ টাকা,অর্থাৎ সবকিছু মিলিয়ে ঐ মুরগীর পেছনে খরচ পড়ে ১৯৩টাকা,আবার এর মধ্যে ৫ থেকে ৭ শতাংশ বাচ্চা মারা ও যায়,এইভাবে লোকসান দিতে গিয়ে বহু খামার মালিকেরা দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

বেশ কয়েকজন খামারির সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা মন্তব্য করেন যে, বাজার দর নিয়ন্ত্রন করা গেলে পোল্ট্রি শিল্প একটি বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতো,তারা আরো বলেন, অস্থিতিশীলতা পুরো সেক্টরটিকে ক্রমে গ্রাস করছে,পুরো সেক্টরের ৩৫হাজার কোটি টাকা হুমকীর মুখে পড়তে যাচেছ উল্লেখ করে তারা বলেন, দেশে নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে পোল্ট্রি শিল্প,শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি নয়, গ্রামাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখছে এ শিল্প, প্রোটিনের যোগান দেয়া এ শিল্পটি রক্ষা করা প্রয়োজন সুষ্ঠু একটি নীতিমালা ও মনিটরিং এর উপর গুরুত্বআরোপ করেন সংশ্লিষ্ট মহল।

মতামত.........