,

গাইবান্ধায় বৈধ প্রার্থীদের অন্তর্ভূক্তি ও অবৈধ প্রার্থীদের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

জাহিদ খন্দকার, গাইবান্ধা-

সাঘাটা উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীতে বৈধ প্রার্থীদের অন্তর্ভূক্তি ও অবৈধ প্রার্থীদের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া ওই উপজেলার ১০জন ইউপি চেয়ারম্যান এবং নিয়োগ বঞ্চিত বেকার যুবক-যুবতীদের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় দায়েরকৃত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অভিযোগ অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং অভিযুক্ত দায়ী কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।

মঙ্গলবার সাঘাটার নিয়োগ বঞ্চিত বেকার যুবক-যুবতী ও ইউপি চেয়ারম্যানরা গাইবান্ধায় এসে প্রেসক্লাবের সম্মুখস্থ কাচারী বাজার সড়কে এক মানববন্ধন এবং পরে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন কর্মসূচী পালন করে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১২অক্টোবর নিয়োগ বঞ্চিত বিক্ষুব্ধ বেকার যুবক-যুবতীরা সাঘাটা যুব উন্নয়ন অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয় ও মানববন্ধনের কর্মসূচীও পালন করে।

সংবাদ সম্মেলনে ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো: শামসুল আজাদ শীতল লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সাঘাটা উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীর অধীনে ৩ হাজার ২২০জন জনবল নিয়োগ করার জন্য সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব এবং ইউচি চেয়ারম্যানদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সে মোতাবেক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু নিয়োগ কমিটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠায় সাঘাটার ১০ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এক অভিযোগপত্র জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রদান করা হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কার্যালয় থেকে এক পত্রে নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম বেরুনীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে দিনাজপুর জেলার চিনিরবন্দর বদলী করা হয়। কিন্তু সকলের অজান্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওয়েব পোর্টালে কোন ধরণের নোটিশ ছাড়াই ১৪ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ শুরু করা হয়। এধরণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে বাছাই পর্বটির দায়িত্ব জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপর দেয়া হয়। সেই প্রেক্ষিতে বর্তমান বাছাই তালিকাটি চুড়ান্ত করা হয়। বঞ্চিত বৈধ প্রার্থীদের অন্তর্ভূক্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অনুরোধ করেন ইউপি চেয়ারম্যানরা। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উপরন্ত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাঘাটা থানায় ১০ জন ইউপি চেয়ারম্যান এবং নিয়োগ বঞ্চিত যুবক-যুবতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।

মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্য চেয়ারম্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বোনারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান, কামালেরপাড়া চেয়ারম্যান মো: সাহিনুর রহমান, সাঘাটা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট, হলদিয়ার চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী প্রধান, মুক্তিনগর চেয়ারম্যান আরশাদ আজিজ, কচুয়া চেয়ারম্যান মো: মাহবুবুর রহমান, পদুমশহর চেয়ারম্যান তৌহিদুজ্জামান, ঘুড়িদহ চেয়ারম্যান জামিল হোসেন, জুমারবাড়ি চেয়ারম্যান মো: রোস্তম আলী প্রমুখ।

মতামত.........