,

গাইবান্ধায় বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি

Bonnaসুমন কুমার বর্মন, গাইবান্ধা (সদর) প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ঘাঘট নদীর পানি গত ২৪ ঘন্টায় ৪২ সে:মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৫ সে: মি. এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৪০ সে. মি. বেড়ে ফুলছড়ি পয়েন্টে ১৪ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে।

এতে করে দু’সপ্তাহ ধরে পানিবন্দী থাকা জেলার ২ লক্ষাধিক বন্যা কবলিত পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগে চরম আকার ধারণ করেছে। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য সংকট, গবাদি পশু সংরক্ষণ ও পশু খাদ্য সংকট, পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থার অভাবে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।
এদিকে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের বেরিবাধ ভেঙ্গে চিনিরপটল, পবনতাইড়সহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৬ হাজার মানুষ নতুন করে পানিবন্দী হয়েছে। ঘাঘট নদীর গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের গোদারহাট, কুঠিপাড়া পয়েন্টে কিছু অংশ ধ্বসে যাওয়ায় বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। তা রক্ষার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্ত মানুষের মাঝে ৫০ মে. টন চাল, নগদ ৪ লাখ টাকার শুকনো খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২৫ মে. টন চাল ও দেড় লক্ষ টাকার শুকনা খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আশরাফুল মমিন খান সোমবার কামারজানি, গিদারি, ঘাগোয়া ইউনিয়নের বন্যা কবলিত এলাকা ও চরাঞ্চলগুলোতে বিতরণ করেন। তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি অনুসারে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী অত্যান্ত অপ্রতুল হওয়ায় বন্যা কবলিত এলাকার অধিকাংশ মানুষ এখনও ত্রাণ থেকে বঞ্চিত।

মতামত.........