,

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি সাঘাটা-ফুলছড়ি সড়কের যোগাযোগ বন্ধ

28-07-2016সুমন কুমার বর্মন, গাইবান্ধা (সদর) প্রতিনিধি:

ঘাঘট, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। ঘাঘট নদীর পানি ৮৬ সে: মি. এবং ব্রহ্মপুত্র নদের ৮১ সে. মি. বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে মাছ ধরতে গিয়ে সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা সদর ইউনিয়নের বাঁশহাটা গ্রামের নুরুন্নবী মিয়া (৩৫) বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছে।
গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন জানান, গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের পৌর এলাকার কুটিপাড়া ও ডেভিডকোম্পানীপাড়ার ৮টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। বাঁধ দিয়ে পানি চোয়াচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। এ নিয়ে শহরবাসি আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

28-07-16
এদিকে ফুলছড়ি উপজেলার ৯ কি.মি. বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের ২০টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ওই এলাকার পশ্চিম পাড়ের প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষের মধ্যে চরম আতংক বিরাজ করছে। এছাড়া ভরতখালীর সোনাইল বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় সাঘাটার ২০টি গ্রামে নতুন বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি হাট, তহশিল অফিস, ফুলছড়ি এবং সাঘাটার ভরতখালির হাট তিনটি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। হাটের উপর দিয়ে এখন নৌকা চলছে। বৃহত্তর ওই হাট তিনটি পানিতে ডুবে যাওয়ায় ওইসব এলাকার মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বেচাকেনা বন্ধ হয়ে গেছে।
অপরদিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি-সাঘাটা সড়কের ২০টি পয়েন্টে সড়কের উপর দিয়ে তীব্র বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ওই সড়ক দিয়ে যানবাহনসহ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জনগণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মতামত.........