,

গাইবান্ধার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

Gaibandha1সুমন কুমার বর্মন, গাইবান্ধা (সদর) প্রতিনিধি:
অবিরাম বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহারি ঢলে গাইবান্ধা জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, করতোয়া, ঘাঘট নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। শুধু ব্রহ্মপুত্র নদেই গত ২৪ ঘন্টায় ২৭ সে. মি. পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সবকটি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এতে করে জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সদর উপজেলার নদী তীরবর্তী ২৩টি ইউনিয়নের ৭৫টি গ্রামের ২০ হাজার পরিবারের ২ লাখ ৪০ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। ক্রমাগত বৃষ্টি আর বন্যার পানি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধির ফলে বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েগেছে। এছাড়াও বন্যায় পাট-তুষা, পটল, রোপা আমনের বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের কানাইপাড়া, হলদিয়া, নলছিয়া, পাতিলবাড়ি, গুয়াবাড়ি, কুমারপাড়া, দিঘলকান্দি গ্রামে বন্যা কবলিত হয়েছে। এই উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের চিনিরপটল, চকপাড়া, পবনতাইড়, সাঘাটা সদর ইউনিয়নের হাটবাড়ি, হাসিলকান্দি, মুন্সিরহাটখোলা, গোবিন্দি গ্রামের লোকজনও পানিবন্দী হয়েছে।
ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের সাতারকান্দি, পূর্ব কঞ্চিপাড়া, উড়িয়ার কালাসোনার চর, কাবিলপুর, রতনপুর, গজারিয়ার গলনা, নামাপাড়া, জিয়াডাঙ্গা, ফজলুপুর, নিশ্চিন্তপুর, বাজে তেলকুপি, পূর্ব খাটিয়ামারি, পশ্চিম খাটিয়ামারি এবং এরেন্ডাবাড়ির বুলবুুলির চর, ভাটিয়াপাড়া, পূর্ব হরিচন্ডি ও পশ্চিম হরিচন্ডি গ্রাম এখন বন্যা কবলিত।
সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নে কুন্দেরপাড়া, মোল্লারচর ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের মানুষ এবং গিদারী, ঘাগোয়া, খোলাহাটী, মালিবাড়ী ও লক্ষীপুর ইউনিয়নের কিছু কিছু এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করছে।
এছাড়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া, হরিপুর, চন্ডিপুর, তারাপুর, বেলকা ইউনিয়েন ৪০টি গ্রামে বন্যা কবলিত হয়েছে। ফুলছড়ি উপজেলার অধিকাংশ এলাকা বন্যা কবলিত রয়েছে।

মতামত.........