,

কিডনি রোগে আক্রান্ত “ছোট্ট রুপন্তীর বাবা খোকন বাঁচতে চায়”

13672470_1764893930414728_1706900672_nরাজীব চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম :
কবি ঋষিরা বলে গেছেন-মানুষ মানুষের জন্য,জীবন জীবন জীবনের জন্য,একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না,জীবে প্রেম করে যেই জন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর”-এভাবেই মানবতাকে সবাই সম্মান করেছেন,ভালোবেসেছেন।

ইবনে সিনা হাসপাতালের করিডোরে বসে গল্প করছিলাম রুপন্তী নামের আড়াই বছরের ছোট্ট ফুটফুটে পরীর মত মেয়েটার সাথে, দূর্ভাগ্যজনক হলে ও সত্যি যে তার যেদিন জন্ম হয়েছিল সেদিনেই তার বাবা মৃত্যুশয্যায় পড়ে গেলেন,বাবার হাত ধরে তার আর শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাওয়া হয়নি,জাতীয় যাদুঘরের বিরাট করিডোরে হাঁটা হয়নি,রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে চোখ গোল করে জিগ্গেস করা হয়নি “বাবা ঐটা কি”,এমন অনেক শিশুসুলভ আবদার মেটানো হয়নি বাবার সাথে,হবেই বা কি করে তার বাবা যে হাঁটতে পারে না।

প্রিয় পাঠক বলছিলাম একজন খোকন মৃধার কথা,আর তিনিই হলেন রুপন্তীর বাবা,যিনি গত আড়াই বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন,তার দুটো কিডনিই সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে,ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের(পিজি হাসপাতাল,শাহবাগ) কিডনি বিশেষঙ্ঘ ডাঃ শহীদুল ইসলাম বলেছেন কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই, এই পর্যন্ত রুপন্তীর বাবার ১৩২ বার কিডনি ডায়ালাইসিস হয়েছে কিন্তু শারীরিক দূর্বলতার কারণে এখন আর তা করা সম্ভব হচ্ছে না,
ডাক্তারের পরামর্শ মতে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে ৭ লক্ষ টাকার দরকার যা উনার পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচছে না,তাই তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন,এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ও একটা ইভেন্ট খোলা হয়েছে,আসুন আমরা সবাই মিলে একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই রুপন্তীর বাবার জন্য,একটু তার পাশে দাঁড়াই।

মতামত.........