,

আরো একটি অভ্যুত্থানের আশঙ্কা তুরস্কে, রেড অ্যালার্ট জারি !

b9f430199f42c3ecd66774616f87b4e7-6আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সংবাদ সবসময় :

আরো একটি অভ্যুত্থানের আশঙ্কা তুরস্কে, একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থানের ধকল এখনো যায়নি, এরমধ্যে আরেকটি সামরিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করছে তুরস্কে। ইতিমধ্যেই রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে দেশটিতে। সতর্কতা হিসেবে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের ইস্তাম্বুল থেকে আঙ্কারা যাত্রা বিলম্বিত করা হয়েছে। তুরস্ক সরকার আশঙ্কা করছেন, সেনাবাহিনীর একাংশ আবারও অভ্যুত্থানের চেষ্টা করতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্টে এ সংবাদ জানানো হয়।

তুরস্কের সেনাবাহিনীতে মোট ৬ লাখ সেনা রয়েছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা প্রথমে ধারণা করেছিলেন, অভ্যুত্থান চেষ্টায় সেনাবাহিনীর ক্ষুদ্র একটি অংশ জড়িত। কিন্তু এখন তাদের আশঙ্কা অভ্যুত্থানপন্থীদের সংখ্যা অনেক বেশি এবং তারা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তা পর্যন্ত বিস্তৃত।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও তার সরকার গণগ্রেপ্তার ও চাকরিচ্যুতি অব্যাহত রেখেছেন। সেনা সদস্যসহ উচ্চপর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ৮ হাজার আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির ৩৭৫ জেনারেল ও অ্যাডমিরালদের মধ্যে ৮৫ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। তুরস্কের এই কর্মকাণ্ড অনেকেই ভালো চোখে দেখছেন না।

তুরস্কে শুক্রবারের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি লোককে চাকুরিচ্যুত করেছে এরদোয়ান সরকার। এদের বড় একটি অংশকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। প্রথম দুই দিনে সরকারের টার্গেটে প্রধানত সেনাবাহিনী এবং বিচারক ও বিচার বিভাগের কর্মচারীরা থাকলেও এবার টার্গেট হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এ পর্যন্ত ২১ হাজার শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ১৫ হাজারের বেশি শিক্ষা কর্মকর্তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড় হাজারেরও বেশি ডিনকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তুরস্কের সর্বোচ্চ শিক্ষা বোর্ড দেশের শিক্ষাবিদদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বুধবার এক নির্দেশনা দিয়েছে। পরবর্তী আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। শুক্রবার রাতে সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর দেশ জুড়ে ধরপাকড় ও গণছাঁটাই চলছে।

তথ্যসূত্র : ইন্ডিপেন্ডেন্ট

মতামত.........